মুখপত্র
প্রিন্ট এর তারিখঃ ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:০৬ পিএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:৩৪ পিএম

একসময় যারা মুখ লুকিয়ে থাকতেন, তারা বাধ্য হয়েছেন ‘হ্যাঁ’ বলতে

রাজনীতি
Sub Editor
একসময় যারা মুখ লুকিয়ে থাকতেন, তারা বাধ্য হয়েছেন ‘হ্যাঁ’ বলতে
ছবি: সংগ্রহীত

জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ চাইলে পুরোনো বন্দোবস্তের পক্ষে থাকা যাবে না।

একসময় মুখ লুকিয়ে যারা ছিলেন, এখন তারা বাধ্য হয়েছেন ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে কথা বলতে। তবে আমরা চাই, তাদের মুখের কথাই যেন সত্যিই তাদের অন্তরের কথা হয়। যারা ‘হ্যাঁ’-এর বিপক্ষে অবস্থান নেবেন, ১৮ কোটি মানুষ তাদের ফ্যাসিবাদী প্রভাব সৃষ্টি করতে চাচ্ছে ধরে নেবে।

সোমবার দুপুরে লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের পদুয়া এ সি এম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যজোটের বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর বলেন, দেশের যুবসমাজ দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচার, নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে বাঁচার দাবি জানিয়ে আসছে। বিশ্ব দরবারে মর্যাদার সঙ্গে দাঁড়ানোর জন্য ‘হ্যাঁ’ ভোট অপরিহার্য। বিশেষ করে প্রথম ভোটার তরুণদের জন্য তিনি আহ্বান জানান, যেন তারা ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে দাঁড়িয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সহায়তা করে।

তিনি বলেন, আমরা জামায়াতের বিজয় চাই না, চাই ১৮ কোটি মানুষের বিজয়। এর মাধ্যমে সবার বিজয় নিশ্চিত হবে। দল, পরিবার বা গোষ্ঠীর স্বার্থে যে বিজয় ঘটে, তা জাতির ওপর ক্ষতি করে; এমন বিজয় আমাদের প্রয়োজন নেই।

শফিকুর রহমান আরও বলেন, যুবকেরা কখনো বেকার ভাতা চায়নি, তারা চায় হাতে কাজ। দেশের উন্নয়ন ও জাতির গঠনেই তাদের আগ্রহ। এজন্য তারা সম্মানের সঙ্গে কাজ করতে চায়, বেকার ভাতা নয়। এখানে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সবাই একসঙ্গে কাজ করবে। দল বা ধর্ম নয়, গুরুত্ব পাবে দক্ষতা ও দেশপ্রেম—এই চেতনায় একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

জনসভায় সভাপতিত্ব করেন দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল আলম চৌধুরী। এতে আরও বক্তব্য রাখেন এলডিপির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম, জামায়াতের নায়েবে আমির আনম শামশুল ইসলাম এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ব্যারিস্টার হামিদ হোসেন আজাদ।

সম্পাদক ও প্রকাশক | উইনিং গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।

© 2026 মুখপত্র। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।