মুখপত্র
প্রিন্ট এর তারিখঃ ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৬ এএম

ট্রাম্পকে হত্যায় ইরানের ষড়যন্ত্র

আন্তর্জাতিক
Sub Editor
ট্রাম্পকে হত্যায় ইরানের ষড়যন্ত্র
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকে নামছেন।/ছবি: রয়টার্স

গত এক বছরে ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে একাধিকবার সতর্ক করেছে যে, ইরান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার পরিকল্পনা করছে। তবে এসব সতর্কবার্তার নির্দিষ্ট তথ্য মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি বলে জানিয়েছেন এক বর্তমান ও দুই সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা।

সূত্রগুলো জানায়, সম্ভাব্য ষড়যন্ত্রের মধ্যে বড় কোনো জনসমাবেশে স্নাইপার দিয়ে ট্রাম্পকে গুলি করা কিংবা ছুরি হামলার জন্য কাউকে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও ছিল। গত বছরের জুনে ১২ দিনের যুদ্ধের আগে এসব সতর্কবার্তা শুরু হয় এবং ফেব্রুয়ারিতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান শুরুর আগে তা আরও জোরালো হয়।

সবচেয়ে বিস্তারিত সতর্কবার্তাটি আসে জুলাইয়ে আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনের আগে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা হোয়াইট হাউসকে জানিয়েছিলেন, ট্রাম্প এয়ার ফোর্স ওয়ানে করে সম্মেলনে যাওয়ার সময় ইরান তাকে হত্যার চেষ্টা করতে পারে। এমনকি কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের আশঙ্কার কথাও জানানো হয়েছিল।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দীর্ঘদিনের মূল্যায়ন হলো, ২০২০ সালে ইরানের সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরান ট্রাম্পকে লক্ষ্য করতে পারে। তবে ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের দেওয়া নির্দিষ্ট কিছু হুমকির তথ্য সিআইএ স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি।

ন্যাটো সম্মেলনের সময় তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও ট্রাম্পকে হত্যার হুমকির পক্ষে কোনো প্রমাণ পায়নি বলে এক তুর্কি কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

তবে হুমকিগুলো যাচাই করা না গেলেও সতর্কতার অংশ হিসেবে হোয়াইট হাউস ও সিক্রেট সার্ভিস ট্রাম্পের নিরাপত্তা জোরদার করে। এর মধ্যে তুরস্ক সফরের সময় একটি নজিরবিহীন গোপন অভিযান চালিয়ে ট্রাম্পকে এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকে অন্য একটি বিমানে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ছিল।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব ঘটনা ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্ত গ্রহণে ইসরায়েলি গোয়েন্দা তথ্যের প্রভাব এবং মার্কিন ও ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার মূল্যায়নের পার্থক্যকে সামনে এনেছে।

ইসরায়েলি দূতাবাস অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, ইরান বিষয়ে মার্কিন নীতিকে প্রভাবিত করতে ইসরায়েল গোয়েন্দা তথ্য ব্যবহার করছে—এমন দাবি সঠিক নয়। হোয়াইট হাউস ও সিআইএ এ বিষয়ে মন্তব্য করেনি। 

সম্পাদক ও প্রকাশক | উইনিং গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।

© 2026 মুখপত্র। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।