মুখপত্র
প্রিন্ট এর তারিখঃ ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ০২:২৩ এএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ০৩:১১ পিএম

বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের বিউটি পণ্যের উজ্জ্বল সম্ভাবনা: ড. কিম জুন হো

লাইফস্টাইল
নিজস্ব প্রতিবেদক
বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের বিউটি পণ্যের উজ্জ্বল সম্ভাবনা: ড. কিম জুন হো

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রখ্যাত কসমেটিকস বিশেষজ্ঞ ড. কিম জুন হো জানিয়েছেন, সঠিক পরিকল্পনা, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ এবং গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়াতে পারলে বাংলাদেশের বিউটি ও কসমেটিকস পণ্য বিশ্ববাজারে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে। জনপ্রিয় বাংলাদেশি ব্র্যান্ড ‘স্কিনো’-এর আমন্ত্রণে ঢাকা সফরে এসে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এমন আশাবাদের কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, সঠিক দিকনির্দেশনা মেনে চললে তৈরি পোশাকশিল্পের মতো এই খাতটিও দেশের রপ্তানি আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রাখে।

দীর্ঘ ৩০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ড. কিম কসমেটিকস ফর্মুলেশন, ন্যানোটেকনোলজি ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিশ্বমানের দক্ষতা রাখেন। তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি আমোরে প্যাসিফিক, ইন্টারকস কোরিয়া ও সিনসেগে ইন্টারন্যাশনালের মতো বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সেমিনারে তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার ‘কে-বিউটি’ ব্র্যান্ডগুলোর বৈশ্বিক সাফল্যের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশের স্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক মানসম্মত পণ্য উৎপাদনে বড় সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে স্কিনোর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো যদি আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা ও ভোক্তাদের পছন্দ অনুযায়ী পণ্য তৈরি করে, তবে বিশ্ববাজারে তাদের প্রতিযোগিতা করার সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

দুই ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে পণ্য মান নিশ্চিতকরণ, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার ও ফর্মুলেশন উন্নয়নের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ড. কিম তার সফরের অংশ হিসেবে স্কিনো পণ্যের গুণগত মানোন্নয়ন এবং গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনায় কৌশলগত দিকনির্দেশনা দেবেন। সেমিনারে স্কিনোর মাদার অর্গানাইজেশন ‘বিআর্থ’-এর সিইও সরওয়ার কামাল, সিএফও ফয়সাল আল জাবের, কসল্যাবের পরিচালক আহসান উদ দৌলা এবং হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট নেওয়াজ নাসিমসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা ঐক্যমতে পৌঁছান যে, বাংলাদেশের কসমেটিকস শিল্পের বিকাশে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় ও ব্র্যান্ডিংয়ের কোনো বিকল্প নেই। ন্যানোটেকনোলজি ও অ্যাডভান্সড ডেলিভারি সিস্টেম ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তারা বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করলে দেশীয় ব্র্যান্ডগুলো বিদেশের বাজারে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারবে। মূলত গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমে ধারাবাহিক বিনিয়োগই এই লক্ষ্য অর্জনের মূল চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করবে বলে সেমিনারে তুলে ধরা হয়।

সম্পাদক ও প্রকাশক | উইনিং গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।

© 2026 মুখপত্র। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।