মুখপত্র
প্রিন্ট এর তারিখঃ ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ০৩:৪২ পিএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ০৭ আগস্ট, ২০২৩, ০৯:১৫ এএম

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত

জাতীয়
Sub Editor
বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মন্ত্রিসভার বৈঠকে। আজ সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রিসভার একটি দায়িত্বশীল সূত্র সমকালকে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বদলে সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে বৈঠকে। সূত্র জানায়, আপাতত এটি ভেটিংয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে যাচ্ছে। এরপর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আবার মন্ত্রিসভায় ওঠানো হবে। সূত্র আরও জানায়, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নামে কোনো আইন থাকছে না। আবার এটাও সত্য যে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সব ধারা বাতিল হয়ে যাচ্ছে না। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সমকালকে বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কয়েকটি ধারা বাতিল হচ্ছে। অর্থাৎ, নতুন আইনে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অনেক কিছুই থাকবে। বিভিন্ন মহল থেকে বিতর্কিত এই আইন বাতিল বা সংশোধনের দাবি উঠেছিল। মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিকদের অভিযোগ, ডিজিটাল জগতে নিরাপত্তার কথা বলা হলেও আইনটি গণমাধ্যম ও বিরোধীদের কণ্ঠ রোধে ব্যবহার করা হচ্ছে। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক গত ১ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকারের প্রতি অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রয়োগ স্থগিত করার আহ্বান জানান। বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মন্ত্রিসভার বৈঠকে। আজ সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রিসভার একটি দায়িত্বশীল সূত্র সমকালকে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বদলে সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে বৈঠকে। সূত্র জানায়, আপাতত এটি ভেটিংয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে যাচ্ছে। এরপর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আবার মন্ত্রিসভায় ওঠানো হবে। সূত্র আরও জানায়, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নামে কোনো আইন থাকছে না। আবার এটাও সত্য যে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সব ধারা বাতিল হয়ে যাচ্ছে না। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সমকালকে বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কয়েকটি ধারা বাতিল হচ্ছে। অর্থাৎ, নতুন আইনে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অনেক কিছুই থাকবে। বিভিন্ন মহল থেকে বিতর্কিত এই আইন বাতিল বা সংশোধনের দাবি উঠেছিল। মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিকদের অভিযোগ, ডিজিটাল জগতে নিরাপত্তার কথা বলা হলেও আইনটি গণমাধ্যম ও বিরোধীদের কণ্ঠ রোধে ব্যবহার করা হচ্ছে। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক গত ১ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকারের প্রতি অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রয়োগ স্থগিত করার আহ্বান জানান।  

সম্পাদক ও প্রকাশক | উইনিং গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।

© 2026 মুখপত্র। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।