ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার আশঙ্কা নতুন করে তীব্র হয়েছে। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, যেকোনো সময় হামলা হতে পারে বলে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা চলছে।
এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা আঘাত হানার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।
এই উত্তপ্ত প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান নিয়েছে ইরানের প্রতিবেশী সৌদি আরব। রিয়াদ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সামরিক অভিযানে তারা অংশ নেবে না এবং এ উদ্দেশ্যে সৌদি আরবের আকাশসীমা কিংবা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না।
বুধবার সৌদি সরকারের ঘনিষ্ঠ দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, সৌদি আরব সরাসরি ইরানকে এই বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তবুও সৌদি আরব সে অভিযানের কোনো অংশ হবে না।
সূত্রগুলো জানায়, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে তেহরানকে লক্ষ্য করে সামরিক হুমকি এলেও সৌদি আরবের মাটি বা আকাশপথ ব্যবহার করে হামলা চালানোর অনুমতি দেওয়া হবে না—এই অবস্থান পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, সৌদি আরবে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস তাদের নাগরিক ও কর্মীদের জন্য সতর্কতা জারি করেছে। বিশেষ করে সামরিক স্থাপনার আশপাশে চলাচলের ক্ষেত্রে বাড়তি সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরবের অবস্থান নতুন করে আঞ্চলিক রাজনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।