|
|
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব মুখপত্র কর্তৃক সংরক্ষিত

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →

পেকুয়ায় জমি বিরোধে লবণচাষির ওপর হামলা, পালিয়ে গেল দুর্বৃত্তরা

মুখপত্র অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ০৭:২০ এএম
৩২ পঠিত
00:00
00:00
পেকুয়ায় জমি বিরোধে লবণচাষির ওপর হামলা, পালিয়ে গেল দুর্বৃত্তরা

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় জমি নিয়ে শত্রুতার জের ধরে জহির আলম (৪৫) নামের এক লবণচাষির ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের লালজানপাড়ায় নিজ বাড়ির সামনে তিনি হিংসাত্মক আক্রমণের শিকার হন। আহত জহির আলম লালজানপাড়া এলাকার বজল আহমদের ছেলে। বর্তমানে তাঁকে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কক্সবাজারের পেকুয়ায় জহির আলম (৪৫) নামের এক লবণচাষিকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে, রাজাখালী ইউনিয়নের রব্বত আলীপাড়ার বাসিন্দা সালাহ উদ্দিনের সঙ্গে জহির আলমের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছে। ঘটনার দিন দুপুরে সালাহ উদ্দিনসহ কয়েকজন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে জহির আলমের বাড়ির সামনে পৌঁছান এবং তাঁকে লক্ষ্য করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ চালান। জহির আলমের চিৎকার শুনে আশপাশের বাসিন্দারা এগিয়ে এসে ধাওয়া দিলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থলে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও একটি ছোরা ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে উপস্থিত জনতা অস্ত্র ও যানটি জব্দ করেন। পরে স্থানীয়রা মোটরসাইকেল ও ছোরাটি জব্দ করেন।

ভুক্তভোগী জহির আলম জানান, তিনি মাথাখিলা এলাকার একটি জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছিলেন। সম্প্রতি সালাহ উদ্দিন তা জবরদখলের চেষ্টা চালান এবং সেখানে টিন ও কাঠ দিয়ে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের উদ্যোগ নেন। সে সময় স্থানীয়দের বাধার মুখে নির্মাণসামগ্রী ফেলেই তারা সরে যেতে বাধ্য হন। ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দুই পক্ষকে নিয়ে থানায় এক সমঝোতা বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সালিশি বৈঠকে গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে জমি সঠিকভাবে মাপজোখের সিদ্ধান্ত হয় এবং পূর্বে আনা নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নিতে বলা হয়। সিদ্ধান্তের আলোকেই সোমবার সকালে মধ্যস্থতাকারীদের উপস্থিতিতে কিছু মালামাল সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে সেই প্রক্রিয়ার পরপরই এই সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে।

এ বিষযে পেকুয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) যতীন্দ্র জানান, রোববার থানায় উভয় পক্ষকে নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে বিরোধের একটি সুরাহা করা হয়েছিল। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি নিজে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসাধীন আহত জহির আলমের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নিয়েছেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →