|
|
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব মুখপত্র কর্তৃক সংরক্ষিত

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →

অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানল ঘূর্ণিঝড় মুরাসু

মুখপত্র অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ০৮:০০ এএম
৩৬ পঠিত
00:00
00:00
অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানল ঘূর্ণিঝড় মুরাসু

ভারতের দক্ষিণ উপকূলীয় জনপদে প্রবল ধ্বংসাত্মক রূপ নিয়ে আছড়ে পড়েছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় মুরাসু। সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ঝড়টির স্থলভাগে আঘাত করার প্রক্রিয়া শুরু হয় বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি)। পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের উত্তাল অবস্থা থেকে সৃষ্টি হওয়া এই ঝড়টি উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। সরকারি তথ্যানুযায়ী, ঝড়ের অগ্রবর্তী মেঘমালা ইতোমধ্যে মূল ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছে, আর পেছনের অংশটি উপকূলের অতি সন্নিকটে অবস্থান করছে। নেলোর ও নরসাপুরের মধ্যবর্তী ওঙ্গোল শহরের আশেপাশের এলাকাগুলো এর মূল লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

ঝড়ের বর্তমান অবস্থান ও গতিপ্রকৃতি

  • আইএমডির পর্যবেক্ষণ বলছে, স্থানীয় সময় রাত ১টা ৩০ মিনিটে ঘূর্ণিঝড়টি ওঙ্গোল থেকে ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে, কাভালি থেকে ৬০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং বাপাতলা থেকে ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল।
  • সকাল পর্যন্ত উপকূলের বিভিন্ন স্থানে ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার গতির দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
  • আগামী ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত দক্ষিণ অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলীয় জেলাগুলোতে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে পুরো উপকূল জুড়ে স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে।

ভারী বর্ষণের পাশাপাশি প্রবল ঝড়ো হাওয়ার কারণে নিচু এলাকাগুলোতে পানি বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আবহাওয়া দপ্তরের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টির স্থলভাগ অতিক্রম সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা বজায় রাখা হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে প্রশাসনকে বিশেষ নজরদারি ও সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় ক্ষয়ক্ষতি কমাতে স্থানীয়দের উপকূল থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বলা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত মৎস্যজীবী ও নৌযান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে। উপকূলীয় জেলাগুলোতে উদ্ধারকারী দলগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে যাতে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি দ্রুত সামাল দেওয়া সম্ভব হয়। ঝড়ের তীব্রতা ও বাতাসের গতিবেগ বিবেচনায় নিয়ে আবহাওয়া দপ্তর আগামী কয়েক ঘণ্টা উপকূলীয় বাসিন্দাদের জন্য সর্বোচ্চ সতর্কবার্তা জারি রেখেছে। এই ঘূর্ণিঝড়টি অতিক্রমের সময় উপকূলের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →