ভারতে মুসলিম বন্ধুকে হত্যা: গ্রেপ্তার বীরেন্দ্র, গোমাংস কাহিনী
নিউজ ডেস্ক
ভারতের উত্তরপ্রদেশের বারাণসীতে চাঞ্চল্যকর এক ঘটনায় বীরেন্দ্র যাদব (২৪) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তের দাবি, বন্ধুকে গরুর মাংস খাইয়ে সামাজিকভাবে হেয় করা হয়েছিল, তাই হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন।
তবে নিহত আফতাব আলমের পরিবার এই দাবি খারিজ করে জানিয়েছে, আসল কারণ ছিল অর্থ আত্মসাৎ ও নিয়োগ সংক্রান্ত বিবাদ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আফতাব আলম (২৮) বিহারের ছাপরা জেলার বাসিন্দা এবং ‘সিদ্ধার্থ অটোমেটিক ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড’-এ কর্মরত ছিলেন। ৮ জানুয়ারি বারাণসীর মহাগাঁও মাদাই গ্রামে একটি পুকুরের পাশে তার মরদেহ পাওয়া যায়। মুখ ও নাক থেকে রক্ত বের হচ্ছিল এবং পাশ থেকে তার পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হয়।
সহকারী পুলিশ কমিশনার প্রতীক কুমার জানান, নিহতের পরিবার ২১ জানুয়ারি পুলিশের কাছে খুনের অভিযোগ করেন। তদন্তে দেখা যায়, আফতাবের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ৪০ হাজার টাকা অভিযুক্ত বীরেন্দ্রর অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছিল। কল রেকর্ড ও লেনদেনের তথ্যের ভিত্তিতে ২৫ জানুয়ারি বীরেন্দ্রকে লস্করপুর গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে বীরেন্দ্র দাবি করেন, তারা আগে বেঙ্গালুরুতে এক কোম্পানিতে একসাথে কাজ করতেন। সেপ্টেম্বরে আফতাব তাকে প্রতারণা করে মাংস খাইয়েছিল এবং অন্যদের জানিয়ে উপহাস করেছে। এই ক্ষোভ থেকেই হত্যা পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।
তবে আফতাবের বাবা কলিমুদ্দিন বলেন, এটি ভিত্তিহীন অভিযোগ; আসল কারণ ছিল টাকা ও নথিপত্র আত্মসাৎ। নিহতের নথিপত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ এবং অপর এক অভিযুক্তকে ধরার চেষ্টা চলছে।
পুলিশ জানায়, বীরেন্দ্র আফতাবকে বারাণসীতে দেখা করার জন্য ডেকে নিয়ে যায়। ৭ জানুয়ারি রেলওয়ে স্টেশনে দেখা হওয়ার পর নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।
আরও পড়ুন
আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!
আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!
সংবাদটি শেয়ার করুন
প্রিয়জন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি শেয়ার:
লিংক কপি করুন:
ক্যামেরা দিয়ে স্ক্যান করে খবরটি মোবাইলে খুলুন