|
|
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব মুখপত্র কর্তৃক সংরক্ষিত

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →

স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়: মির্জা ফখরুল

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬, ০৩:৪৪ পিএম
৭ পঠিত
00:00
00:00
স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়: মির্জা ফখরুল
ছবি: সংগ্রহীত

স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীদের হাতে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, যারা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিল না, তাদের হাতে দেশের ভবিষ্যৎ নিরাপদ হতে পারে না।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের পশ্চিম আকচা এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগে এসব কথা বলেন তিনি।

জামায়াতকে ইঙ্গিত করে মির্জা ফখরুল বলেন, একটি দল ভোটে অংশ নিচ্ছে যাদের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা। তারা একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করেনি এবং সে সময় বহু মানুষকে হত্যা ও নারীদের নির্যাতন করেছে। এখনো তারা সেই অপরাধের জন্য ক্ষমা চায়নি।

তিনি আরও বলেন, ভোটের নামে প্রতারণা ও বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। কেউ কেউ বিকাশ নম্বর দিয়ে টাকা চাচ্ছে, আবার বলা হচ্ছে ভোট দিলে জান্নাত নিশ্চিত—এসব সম্পূর্ণ মিথ্যা। আসন্ন নির্বাচনে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ভোট দিয়ে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে হবে।

গত ১৫–১৬ বছরে দেশের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ব্যাংক ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে, বিপুল অর্থ লুট হয়ে গেছে। এসব ঠিক করতে হলে ঝগড়া নয়, যোগ্য নেতৃত্ব বেছে নিতে হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি দেশের মানুষের উন্নয়ন ও শান্তির রাজনীতি করে। দীর্ঘ ১৫ বছর শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ছিল না, তবে এখন একটি ভালো নির্বাচনের আশা তৈরি হয়েছে, যেখানে সবাই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

নিজের রাজনৈতিক জীবনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন জনগণের পাশে থেকেছেন তিনি। তার বাবা এলাকায় সুনামের সঙ্গে কাজ করেছেন। তিনি নিজেও মন্ত্রী ছিলেন, কিন্তু কেউ বলতে পারবে না তিনি অনিয়ম করেছেন। দলীয় প্রার্থী হিসেবে তিনি শেষবারের মতো নির্বাচন করছেন এবং ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষণার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফ করা হবে। এনজিও ঋণের দায় সরকার নেবে। মায়েদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষকদের কৃষি কার্ড দেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষিত বেকারদের জন্য ১৮ মাসে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে সব ধর্মের মানুষকে নিরাপদে বসবাসের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →