|
|
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব মুখপত্র কর্তৃক সংরক্ষিত

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →

ছয় মামলায় শেখ হাসিনার ৩৬ বছরের কারাদণ্ড

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৬:৫৪ পিএম
১৪ পঠিত
00:00
00:00
ছয় মামলায় শেখ হাসিনার ৩৬ বছরের কারাদণ্ড
ছবি: সংগ্রহীত

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে নিজ নামে এবং পরিবারের সদস্যদের নামে দুর্নীতির মাধ্যমে ছয়টি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ছয়টি মামলায় মোট ৩৬ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সব মামলার রায়ে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা গ্রেপ্তার হওয়ার পর অথবা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে এসব সাজা কার্যকর হবে।

সোমবার দুটি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। এসব মামলায় প্রত্যেকটিতে পাঁচ বছর করে মোট ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় শেখ হাসিনাকে। মামলাগুলো দায়ের করা হয় তাঁর বোন শেখ রেহানার মেয়ে আজমিনা সিদ্দিক এবং ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকের নামে প্লট বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগে।

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে একই আদালত গত বছরের ১ ডিসেম্বর শেখ রেহানার নামে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির মামলায় শেখ হাসিনাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন।

এরও আগে, গত বছরের ২৭ নভেম্বর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ শেখ হাসিনার নিজের নামে, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নামে তিনটি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাঁকে মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড দেন। সব মিলিয়ে ছয়টি প্লট বরাদ্দ সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় শেখ হাসিনার মোট সাজা দাঁড়ালো ৩৬ বছর।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগ করার পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। এরপর তাঁর ও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত বছরের ১২, ১৩ ও ১৪ জানুয়ারি দুদক ছয়টি মামলা দায়ের করে। ২৫ মার্চ এসব মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হয় এবং ৩১ জুলাই আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, সরকারের সর্বোচ্চ পদে থাকাকালে শেখ হাসিনা ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও অসৎ উদ্দেশ্যে পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরের ২০৩ নম্বর সড়কের ছয়টি প্লট নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়।

আরও অভিযোগ করা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে থেকে তিনি অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ করেন এবং রাজউকসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করে সব আইন ও বিধিমালা উপেক্ষা করে প্লট বরাদ্দ নেন, যা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য।

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →