মার্কিন সমর্থিত ‘বোর্ড অব পিস’ গাজায় ব্যর্থ: ত্রাণ প্রধান
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রেবার্ন বলেন, “সবচেয়ে অস্পষ্ট বিষয় হলো, এই পরিষদ বোর্ড অব পিসকে যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা কেন গাজার ফিলিস্তিনিদের মৌলিক অধিকার এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সবচেয়ে মৌলিক নিয়ম লঙ্ঘনে ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি নতুন স্বাভাবিক পরিস্থিতি হতে পারে না।”
২০২৫ সালের অক্টোবরে কথিত যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকে গাজায় অন্তত ১ হাজার ৩০৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
২০২৩ সালের অক্টোবরে গণহত্যা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৭৩ হাজার ৪৩৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
‘ফিরে আসার পথ বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা’
ইসরায়েল এখন গাজার ৬০ শতাংশের বেশি এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু চলতি মাসের শুরুতে বলেছিলেন, এই নিয়ন্ত্রণ প্রায় ৭০ শতাংশে নেওয়াই লক্ষ্য।
বোর্ড অব পিস গাজার ‘ইয়েলো লাইন’—যা ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি নিয়ন্ত্রিত এলাকাকে পৃথক করে—এর বাইরে থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি হামাসের সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
জাতিসংঘের গাজার জন্য উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি বুধবার সতর্ক করে বলেছেন, ইসরায়েল ও হামাসের যুদ্ধবিরতি ভেঙে গেলে পরিস্থিতি ‘ফিরে আসার পথ বন্ধ হওয়ার’ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে নিকোলাই ম্লাদেনভ বলেন, গাজায় আবারও যুদ্ধ শুরু হলে “ফিরে যাওয়ার কোনো রোডম্যাপ থাকবে না, মোতায়েন করার মতো কোনো প্রশাসন থাকবে না এবং মাটিতে পুনর্গঠনের জন্যও কিছু অবশিষ্ট থাকবে না। এটি শুধু একটি বিপর্যয় হবে না; বরং সবার জন্য ফিরে আসার পথ বন্ধ হয়ে যাবে।”
৩০ জুলাই হামাস যে রোডম্যাপে সম্মতি জানিয়েছিল, তাতে বলা হয়েছিল, অস্ত্র নিষ্ক্রিয় করার প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীর তত্ত্বাবধানে হবে। তবে ওই বাহিনী এখনো গাজায় মোতায়েন হয়নি।
ম্লাদেনভ বলেন, “যুদ্ধবিরতির জন্য দ্বিতীয় ঝুঁকিটি বিপরীত দিক থেকে আসছে। হামাস সব ধরনের সামরিক কার্যক্রম বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে সেই প্রতিশ্রুতি এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।”
তিনি আরও বলেন, “প্রতিটি বহন করা অস্ত্র, প্রতিটি সুড়ঙ্গের নির্মাণকাজ এবং প্রতিটি বাধাগ্রস্ত বহর প্রক্রিয়াটিকে পিছিয়ে দিচ্ছে এবং যারা যুদ্ধ পুনরায় শুরু করতে চায়, তাদের হাতে যুক্তি তুলে দিচ্ছে।”
আরও পড়ুন
আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!
আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!
সংবাদটি শেয়ার করুন
প্রিয়জন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি শেয়ার:
লিংক কপি করুন:
ক্যামেরা দিয়ে স্ক্যান করে খবরটি মোবাইলে খুলুন