ইরান–রাশিয়া গোপন লেনদেন? স্বর্ণ যাচ্ছে বাইরে, অস্ত্র ঢোকার শঙ্কা
নিউজ ডেস্ক
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলন ঘিরে দেশটির ক্ষমতাসীন শাসনব্যবস্থার স্থায়িত্ব নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্য টম টুগেনডাট এক বক্তব্যে ইরান ও রাশিয়ার মধ্যে গোপন লেনদেনের ইঙ্গিত দিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন।
তার দাবি অনুযায়ী, সম্প্রতি তেহরানের বিমানবন্দরে একাধিক রুশ মালবাহী বিমানের অবতরণ লক্ষ্য করা গেছে। একই সঙ্গে ইরান থেকে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ বিদেশে সরিয়ে নেওয়ার তথ্যও সামনে এসেছে। টুগেনডাট মনে করেন, এটি ক্ষমতাধর গোষ্ঠীর ‘পরবর্তী পরিস্থিতির প্রস্তুতি’রই অংশ।
তিনি আরও বলেন, এসব কার্গো বিমানের মাধ্যমে রাশিয়া থেকে ইরানে অস্ত্র ও গোলাবারুদ পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। বিপরীতে, ইরানের প্রভাবশালী ব্যক্তি ও শাসকগোষ্ঠীর সদস্যরা নিজেদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বর্ণ বাইরে পাঠাচ্ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত ২৮ ডিসেম্বর শুরু হওয়া বিক্ষোভ ইতোমধ্যে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের দীর্ঘদিনের শাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানবাধিকার পর্যবেক্ষক সংস্থা এইচআরএএনএ জানায়, চলমান সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৪ জন বিক্ষোভকারী এবং ২ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য নিহত হয়েছেন।
টুগেনডাটের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানি সরকারের একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন এবং সংবেদনশীল তথ্য পাচারের ঘটনাও ঘটছে। এতে দেশটির ক্ষমতার অভ্যন্তরে গভীর অবিশ্বাস ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এ বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা বিষয়ক মন্ত্রী হ্যামিশ ফ্যাকনার বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি না হলেও জানান, যুক্তরাজ্য শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও প্রতিবাদের অধিকারকে মৌলিক স্বাধীনতা হিসেবে বিবেচনা করে। একই সঙ্গে তিনি ইরান সরকারকে জনগণের এই অধিকার সম্মান করার আহ্বান জানান।
সূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল
আরও পড়ুন
আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!
আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!
সংবাদটি শেয়ার করুন
প্রিয়জন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি শেয়ার:
লিংক কপি করুন:
ক্যামেরা দিয়ে স্ক্যান করে খবরটি মোবাইলে খুলুন