|
|
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব মুখপত্র কর্তৃক সংরক্ষিত

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →

সাবেক প্রেমিকের স্ত্রীর শরীরে এইচআইভি ঢুকিয়ে দিলেন নারী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ০৪:১২ পিএম
২৮ পঠিত
00:00
00:00
সাবেক প্রেমিকের স্ত্রীর শরীরে এইচআইভি ঢুকিয়ে দিলেন নারী
সাবেক প্রেমিকের স্ত্রীর শরীরে এইচআইভি ঢুকিয়ে দিলেন নারী/ প্রতীকী ছবি: পেক্সেলস


ভারতের অন্ধ্র প্রদেশে চাঞ্চল্যকর এক ঘটনায় সাবেক প্রেমিকের স্ত্রীর শরীরে হিংসার বশবর্তী হয়ে এইচআইভি সংক্রমণ ঘটানোর অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় নারীসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশের বরাত অনুযায়ী, কুর্নুলের বাসিন্দা ৩৪ বছর বয়সী বি বয়া বসুন্ধরা তার সাবেক প্রেমিকের স্ত্রীকে টার্গেট করে এই পরিকল্পনা করেন। অভিযুক্তদের মধ্যে ছিলেন আদোনির একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত ৪০ বছর বয়সী নার্স কঙ্গি জ্যোতি এবং তার দুই সন্তান।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তরা একটি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের কাছ থেকে এইচআইভি-সংক্রমিত রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেন। তারা দাবি করেছিলেন, গবেষণার উদ্দেশ্যে এই নমুনা প্রয়োজন। পরে এই সংক্রমিত রক্ত ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রাখেন এবং পরিকল্পিতভাবে আক্রান্ত চিকিৎসকের শরীরে ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রবেশ করান।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনা ঘটে ৯ জানুয়ারি, দুপুর আড়াইটার দিকে। ভুক্তভোগী চিকিৎসক কুর্নুলের একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক। দুপুরে স্কুটারে বাড়ি ফেরার সময় দুই মোটরসাইকেল আরোহী তার স্কুটারে ধাক্কা দেয়। ধাক্কায় তিনি পড়ে গেলে, অভিযুক্তরা সাহায্যের অজুহাত দেখিয়ে তার কাছে এগিয়ে আসে। তখন বসুন্ধরা তার শরীরে এইচআইভি ইনজেকশন প্রয়োগ করেন। ভুক্তভোগী চিৎকার শুরু করলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

পুলিশের কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বসুন্ধরা সাবেক প্রেমিকের নতুন বিয়ে মেনে নিতে পারেননি এবং দম্পতিকে আলাদা করার উদ্দেশ্যে এই পরিকল্পনা করেছিলেন। ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগীর স্বামী কুর্নুল থ্রি টাউন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →