|
|
রবিবার, ০১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব মুখপত্র কর্তৃক সংরক্ষিত

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →

গ্রিসের স্বপ্নে যাত্রা, ভূমধ্যসাগরে ১১ বাংলাদেশির করুণ মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:১৯ পিএম
১১ পঠিত
00:00
00:00
গ্রিসের স্বপ্নে যাত্রা, ভূমধ্যসাগরে ১১ বাংলাদেশির করুণ মৃত্যু
গ্রিস যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে নয় দিন ভেসে থাকার পর উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীরা।/ছবি: সংগৃহীত

লিবিয়া থেকে সাগরপথে গ্রিস যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগরে অন্তত ১১ বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে। জীবিত উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বরাতে জানা গেছে, খাবার ও পানির সংকটে তাদের চোখের সামনেই কয়েকজনের মৃত্যু হয়। পরে মরদেহগুলোতে পচন ধরে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে সেগুলো সাগরে ফেলে দিতে বাধ্য হন যাত্রীরা।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে গ্রিসের উদ্দেশে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা যাত্রা করে। নৌকাটিতে থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি ছিলেন বলে জানা গেছে।

যাত্রা শুরুর পরপরই ঝড়ের কবলে পড়ে নৌকাটি। এতে নৌকায় থাকা খাবার ও পানির মজুত সাগরে ভেসে যায়। এরপর কোনো খাবার ও পানি ছাড়াই বিপজ্জনকভাবে যাত্রা চালিয়ে যেতে হয় তাদের।

গ্রিসের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর নৌকার ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। ফলে সেটি সাগরে ভাসতে থাকে। টানা নয় দিন ভূমধ্যসাগরে ভেসে থাকার পর বাতাসের স্রোতে নৌকাটি মিশরের মারসা মাতরুহ উপকূলের কাছে পৌঁছায়। পরে মিশরের নিরাপত্তা বাহিনী তাদের উদ্ধার করে।

উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশিদের মধ্যে ১৮ জনকে মারসা মাতরুহ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সুনামগঞ্জের আব্দুল করিম জানান, খাবার ও পানির অভাবে নয়জন বাংলাদেশি তাদের চোখের সামনেই মারা যান। পরে আরও দুজনের মৃত্যু হয়।

তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় লবণাক্ত পানিতে থাকার কারণে অনেকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে পচন ধরেছে। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন তারা। দেশে ফেরার আকুতিও জানিয়েছেন তিনি।

মিশরে বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, আহত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিষয়ে মারসা মাতরুহ জেনারেল হাসপাতাল ও স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

স্থানীয় পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মোট ৩০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৮ জনের শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় চিকিৎসা চলছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে।

দূতাবাস জানিয়েছে, আহত বাংলাদেশিদের চিকিৎসার অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তারা সুস্থ হয়ে উঠলে মিশরের আইনি প্রক্রিয়া শেষে প্রয়োজনীয় ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তাদের দ্রুত বাংলাদেশে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। 

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →