মামলা করায় হুমকি, অভিনেত্রী তানজিন তিশাকে আদালতে তলব
অনলাইন ডেস্ক
ফ্যাশন ডিজাইনার আয়েশাহ আনুম ফায়যাহ সানায়া চৌধুরীর করা মামলায় তাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে নতুন একটি পিটিশন মামলা হয়েছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত অভিনেত্রীকে আদালতে সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সোমবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সানায়া চৌধুরী বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন। বিচারক মো. মাহবুব-উল-আলমের আদালতে বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের পর অভিযোগটি আমলে নিয়ে আগামী ২৩ নভেম্বর তিশাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। মামলার অভিযোগে বলা হয়, গুলশানের ১২৭ নম্বর সড়কে সানায়া চৌধুরীর একটি ফ্যাশন হাউস ও স্টুডিও রয়েছে।
বাদীর আইনজীবী শুভ্র সিনহা রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মূলত ২০২৪ সালের ১৩ ডিসেম্বর একটি অনুষ্ঠানে পরার জন্য ৭৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি শাড়ি তানজিন তিশা ওই ডিজাইনারের কাছ থেকে নিয়েছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, পরদিন শাড়িটি ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি তা দেননি। পরবর্তীতে ১৫ ডিসেম্বর ফেসবুক মেসেঞ্জারে শাড়িটি ফেরত চাইলে তিশা ডিজাইনারকে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে দাবি করা হয়েছে।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর সানায়া চৌধুরী প্রথম মামলাটি দায়ের করেন। তৎকালীন আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেয়। এরপর গত ২৯ নভেম্বর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দণ্ডবিধির ৪২০ ও ৪০৬ ধারায় পৃথক একটি অভিযোগও দায়ের হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, মামলা হওয়ার পর থেকে তিশা বিভিন্ন সময় বাদীকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ ও হুমকি দিতে থাকেন।
বাদীর ভাষ্যমতে, গত ৭ নভেম্বর তাকে মোবাইল ফোনে বলা হয়, 'আমি যদি তোমার পিছনে লাগি, তুমি কিন্তু বাঁচবা না।' এছাড়া তাকে অকথ্য ভাষায় হেনস্তাও করা হয়। পিবিআই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিলে বাদী ২৫ অক্টোবর নারাজি দাখিল করেন। আদালত সেই নারাজি মঞ্জুর করে পিবিআইয়ের প্রতিবেদনটি অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) স্থানান্তরের নির্দেশ দেন। অভিযোগের দাবি, তদন্ত প্রক্রিয়া এগিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে আসামি পক্ষ আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। অজ্ঞাত ব্যক্তিদের মাধ্যমে বাদীকে দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেওয়ায় নিরাপত্তা চেয়ে তিনি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নতুন এই পিটিশন মামলাটি করেছেন। বর্তমান ঘটনাস্থলে অজ্ঞাত লোক পাঠিয়ে মামলা তুলে নিতে চাপ সৃষ্টি করা হয় এবং বাদীকে দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। পরবর্তীতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে ও থানা কর্তৃপক্ষের পরামর্শে ন্যায়বিচার পাওয়ার আশায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই পিটিশন মামলাটি করেন তিনি।
আরও পড়ুন
আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!
আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!
সংবাদটি শেয়ার করুন
প্রিয়জন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি শেয়ার:
লিংক কপি করুন:
ক্যামেরা দিয়ে স্ক্যান করে খবরটি মোবাইলে খুলুন