খাদের কিনারে দেশ, ফিরছেন শেখ হাসিনা: নিঝুম মজুমদারের বিস্ফোরক দাবি
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ০২:২৯ পিএম
শুনুন
00:00
বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বর্তমানে এক অভূতপূর্ব এবং জটিল ক্রান্তিকালের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর থেকেই দেশজুড়ে এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তিনি কবে, কীভাবে এবং কোন বিমানে দেশে ফিরবেন—এই প্রশ্ন এখন বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের মুখে মুখে। সম্প্রতি 'আজ তক বাংলা'-র একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের বিশিষ্ট আইনজীবী নিঝুম মজুমদার এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক, সামাজিক এবং আইনি পরিস্থিতি নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর ও বিস্ফোরক বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরা: একটি নিশ্চিত পরিণতি
সাক্ষাৎকারের শুরুতেই সঞ্চালিকা প্রশ্ন রাখেন, শেখ হাসিনা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাইরে আছেন, তিনি যখন দেশে ফিরবেন, তখন তাঁর নামের পাশে কী তকমা বসবে? তিনি কি সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ফিরবেন, নাকি আওয়ামী লীগ নেত্রী হিসেবে? এই প্রশ্নের উত্তরে নিঝুম মজুমদার অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে জানান যে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরাটা একটি "নিশ্চিত তথ্য"। তিনি উল্লেখ করেন যে, শেখ হাসিনা নিজেই স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে তিনি ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন।
জনগণের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা বোঝাতে গিয়ে নিঝুম মজুমদার একটি আবেগঘন উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, কিছুদিন আগে ৯ বছর বয়সী একটি ছোট্ট শিশু মিছিলে গিয়ে বলেছিল, "আমি মিছিলে গিয়েছি, আপনি ফিরবেন বলে। আমি আপনার জন্য মিছিলে গেছি।" নিঝুম মজুমদারের মতে, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় যেমন মিছিলে ছোট ছোট শিশুরা অংশ নিত, আজকের দিনেও ঠিক সেই একই রকম এক 'ডেজা ভ্যু' বা পুনরাবৃত্তির অনুভূতি হচ্ছে।
পদত্যাগ না করা এবং বর্তমান সরকারের 'অবৈধতা'
শেখ হাসিনা কীভাবে ফিরবেন, সেই প্রশ্নের চেয়েও নিঝুম মজুমদার বেশি জোর দিয়েছেন তাঁর পদত্যাগ না করার আইনি দিকটির ওপর। তিনি দাবি করেন যে, শেখ হাসিনা আদৌ পদত্যাগ করেননি এবং তিনি এখনো বাংলাদেশের বৈধ প্রধানমন্ত্রী।
তাঁর মতে, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেননি। একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী তখনই সাবেক হন, যখন তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেন, অথবা তাঁর মৃত্যু হয়। কিন্তু শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে এর কোনোটিই ঘটেনি। বরং, তিনি যখন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন, তখন তাঁর ওপর "জঙ্গি হামলা" চালানো হয়েছিল। নিঝুম মজুমদার বলেন, শেখ হাসিনার ওপর নানাধরনের আক্রমণ হওয়ার পর, বাংলাদেশের সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং নৌবাহিনী তাদের সম্মিলিত সিদ্ধান্তে তাঁর নিরাপত্তার স্বার্থে, ভারতের অনুমতি সাপেক্ষে তাঁকে একটি নিরাপদ জায়গায় (ভারতে) সরিয়ে নেয়। যদি তিনি পালিয়েই যেতেন, তবে কেউ জানত না তিনি কীভাবে গেছেন, কিন্তু তাঁকে সবার সামনে দিয়ে বিমানে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সেনাবাহিনী তাঁকে সেখানে রেখে এসেছে।
এই যুক্তির ওপর ভিত্তি করে নিঝুম মজুমদার বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সম্পূর্ণ "অবৈধ" বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি ইতিহাস টেনে এনে বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যাকাণ্ডের পর খন্দকার মোশতাক, বিচারপতি সায়েম এবং জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করেছিলেন। পরবর্তীতে হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদও ক্ষমতা দখল করেন। কিন্তু 'মুন সিনেমা হল' মামলার রায়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট পঞ্চম সংশোধনী বাতিলের মধ্য দিয়ে সেই তিনটি শাসনকালকেই অবৈধ ঘোষণা করেছিল। একইভাবে, সপ্তম সংশোধনী বাতিলের মাধ্যমে এরশাদের ২৪শে মার্চ ১৯৮২ থেকে ৬ই ডিসেম্বর ১৯৯০ পর্যন্ত শাসনকালকেও অবৈধ ঘোষণা করা হয়।
নিঝুম মজুমদার স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন যে, বর্তমানে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বা তারেক রহমানের নেতৃত্বে যা চলছে, তা আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে সম্পূর্ণ অবৈধ। তিনি বলেন, "আমরা যেদিন শাসনভার নেব, বাংলাদেশ মূলত বৈধভাবে ওইদিন থেকেই শুরু হবে। অর্থাৎ, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট দুপুর ১২টার পর থেকে ক্ষমতা শুরু হবে।"
দেশে ফেরার রুট এবং পাসপোর্টের প্রসঙ্গ
শেখ হাসিনা কোন পথে দেশে ফিরবেন, এ নিয়ে নিঝুম মজুমদার বলেন যে, দেশে ফেরার অনেকগুলো রুট রয়েছে। তিনি স্থলপথের কথা উল্লেখ করে বলেন, কলকাতা থেকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে তিনি স্থলপথে ফিরতে পারেন। তবে বর্তমান সরকার শেখ হাসিনার পাসপোর্ট আটকে রেখেছে এবং তা বাতিল করেছে বলে তিনি জানান। কিন্তু নিঝুম মজুমদারের মতে, "জাতির জনকের কন্যার দেশে ফেরার জন্য আসলে পাসপোর্টই লাগে না। তিনি নিজেই বাংলাদেশ, তিনি নিজেই একটি পাসপোর্ট।"
নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তিনি মনে করেন, আকাশপথ বা স্থলপথ—যে কোনো মাধ্যমেই তিনি ফিরতে পারেন, তবে স্থলপথের বিষয়টিও জোরালোভাবে বিবেচনা করা হতে পারে।
বিদেশি ষড়যন্ত্র এবং জর্জ সোরোসের ইন্ধন
বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থান এবং ক্ষমতার পালাবদলকে নিঝুম মজুমদার একটি সুপরিকল্পিত "বিদেশি ষড়যন্ত্র" বলে দাবি করেছেন। তিনি সরাসরি জর্জ সোরোস, মার্ক সোরোস এবং অ্যালেক্স সোরোসের নাম উল্লেখ করে বলেন যে, এই ষড়যন্ত্রটি তাদের দ্বারাই পরিচালিত হয়েছে।
তিনি যুক্তি দেখান যে, শেখ হাসিনা জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে এমন একটি দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, যা ভারতের নিরাপত্তার জন্যও একটি স্বস্তির জায়গা ছিল। ভারতের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোকে তিনি সুরক্ষিত রেখেছিলেন। নিঝুম মজুমদার প্রশ্ন তোলেন, ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথেও তো তাদের দেশের জনগণের দূরত্ব তৈরি হতে পারে, কিন্তু সেখানে তো এভাবে সরকার পতন হয় না। কারণ সেখানে এই ধরনের বিদেশি অর্থায়নে পরিচালিত ষড়যন্ত্র নেই। তাঁর মতে, বিদেশি টাকায় পুষ্ট হয়েই এই রেজিম চেঞ্জ বা সরকার পরিবর্তন করা হয়েছে।
সেনাবাহিনীর ভূমিকা এবং 'গদ্দারী'
সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর একটি অংশের ভূমিকা নিয়েও চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন নিঝুম মজুমদার। তিনি সরাসরি সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানের নাম উল্লেখ করে বলেন, সেনাবাহিনীতে যারা "গদ্দারী বা বেইমানি" করেছে, তারা হলো ওয়াকার-উজ-জামান এবং তাঁর অনুগত বাহিনী।
তিনি বলেন, যাদের হাতে দেশের নিরাপত্তার দায়িত্ব ছিল, তারাই যদি দেশের প্রধানমন্ত্রীকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয় বা দেশের সাথে বেইমানি করে বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের হাতে দেশকে তুলে দেয়, তবে তা চরম বিশ্বাসঘাতকতা। তিনি দাবি করেন যে, আমেরিকার টাকা খেয়ে একটি দেশকে মৌলবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টায় এই ষড়যন্ত্রে তারা লিপ্ত হয়েছে।
উগ্র মৌলবাদের উত্থান এবং সাধারণ মানুষের দুর্দশা
সাক্ষাৎকারের একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল বাংলাদেশে বর্তমানে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা উগ্র মৌলবাদ এবং সাধারণ মানুষের দুর্বিষহ জীবনের চিত্র। নিঝুম মজুমদার জানান, সাধারণ মানুষ, যারা রাজনীতির বাইরে থেকে দেশটাকে ভালোবাসে, তারা এখন চরম হতাশা ও কষ্টে দিন পার করছে। তিনি একটি রেস্তোরাঁয় খেতে যাওয়ার সময় এক সাধারণ মানুষের সাথে তাঁর কথোপকথনের কথা উল্লেখ করেন। সেই ব্যক্তি নিঝুম মজুমদারকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং বলেন যে, তারা সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষ, নুন আনতে পান্তা ফুরোয়। তারা এখন ভয়ে ঘরের মধ্যে সিঁটিয়ে আছেন।
তিনি সাধারণ মানুষের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরে বলেন, ১২০০ টাকার গ্যাসের সিলিন্ডার এখন ২৫০০ টাকা হয়ে গেছে। মানুষের ভাত, চাল, ডাল কেনার সামর্থ্য নেই। বিদ্যুতের চরম লোডশেডিং চলছে—দিনে দুই-তিন ঘণ্টাও বিদ্যুৎ থাকছে না। সাধারণ মানুষ এখন অনুধাবন করতে পারছে যে, তারা শেখ হাসিনাকে সরিয়ে কত বড় ভুল করেছে। সেই ব্যক্তি কেঁদে কেঁদে বলেছেন, "শেখ হাসিনা ফিরলে আমার যা কিছু আছে আমি সব নিয়ে নেমে যাব। আমরা আর পারছি না।"
ভিডিওতে বেশ কয়েকটি ক্লিপ দেখানো হয়, যেখানে প্রকাশ্য দিবালোকে চরমপন্থীরা সাংবাদিকদের এবং সাধারণ মানুষকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। একজন প্রকাশ্যে বলছে, "শামীমকে হত্যা করতে হয়, আমি ফজলুল হক আমিনী... পিছপা হব না।" আরেকজন বলছে, সাংবাদিকরা যদি তাদের পক্ষে না লেখে, তবে তাদের কোনো জানাজা বা দাফন হবে না, তাদের লাশ কুকুরে খাবে।
নিঝুম মজুমদার বলেন, এই লোকগুলো প্রকাশ্যে মানুষ খুনের হুমকি দিচ্ছে, অথচ রাষ্ট্র বা প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তিনি বলেন, ইসলাম ধর্মে 'শিরক' বা আল্লাহর সমকক্ষ কাউকে দাঁড় করানোকে ক্ষমা করা হয় না। কিন্তু এই লোকগুলো নিজেদেরকে ঈশ্বরের সমকক্ষ ভেবে যাকে খুশি তাকে হত্যার ফতোয়া দিচ্ছে। রাষ্ট্র তাদের এই আস্ফালনের দিকে কোনো নজর না দিয়ে, বরং তাদের প্রশ্রয় দিচ্ছে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা এবং বিকৃত মানসিকতা
সাক্ষাৎকারের শেষ ভাগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ঘটনার ভিডিও চিত্র তুলে ধরা হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরের সামনে এবং হিন্দু ছাত্রদের আবাসস্থলের ঠিক সামনেই গরুর মাংস রান্নার আয়োজন করা হয়েছে।
এই ঘটনাটিকে নিঝুম মজুমদার একটি চরম "বিকৃত মানসিকতা" এবং "অসুস্থ মগজের" বহিঃপ্রকাশ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি একটি চমৎকার মনস্তাত্ত্বিক উদাহরণের মাধ্যমে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, "ধরুন আপনি গোলাপ ফুল খুব পছন্দ করেন। আপনি একটি গোলাপ বাগানে দাঁড়িয়ে আছেন। এখন আমি শুধু আপনাকে কষ্ট দেওয়ার জন্য জুতো দিয়ে পুরো গোলাপ বাগানটা পিষে ফেললাম। এতে আমার কোনো লাভ হলো না, কিন্তু আপনি কষ্ট পেলেন। এই যে অন্যকে কষ্ট দিয়ে আনন্দ পাওয়া, একেই বলে বিকৃত আনন্দ।"
তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, বাংলাদেশে গরু বা মুরগি খাওয়া কোনো নিষিদ্ধ বিষয় নয়। যে কেউ চাইলে কয়েক মাইল দূরে কোনো মাঠে বা কসাইখানায় গিয়ে গরু জবাই করে রান্না করতে পারত। কিন্তু তারা ঠিক মন্দিরের সামনেই এই কাজটি করেছে, কারণ তারা জানে যে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা গরুকে একটি পবিত্র পশু হিসেবে ভক্তি করে। শুধুমাত্র হিন্দু ছাত্রদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার জন্য এবং তাদের কষ্ট দিয়ে বিকৃত আনন্দ উপভোগ করার জন্যই এই জঘন্য কাজটি করা হয়েছে।
তিনি আক্ষেপ করে বলেন, এটি কোনো সভ্য সমাজের লক্ষণ হতে পারে না। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে, বর্তমানে মৌলবাদীরা কীভাবে ক্ষমতার দাপট দেখাচ্ছে এবং অন্য ধর্মের মানুষের ওপর মানসিক নির্যাতন চালাচ্ছে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, এই উগ্রবাদীরাই ৫ই আগস্টের পর সেনাবাহিনীর সদস্যদের পর্যন্ত পিটিয়ে আধমরা করেছিল।
নিঝুম মজুমদারের এই দীর্ঘ এবং বিস্তারিত বিশ্লেষণ বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির একটি ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে। তাঁর মতে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরা সময়ের দাবি মাত্র এবং তিনি ফিরবেনই। বর্তমান সরকার আইনিভাবে সম্পূর্ণ অবৈধ এবং একটি বিদেশি ষড়যন্ত্রের ফসল। দেশের সাধারণ মানুষ চরম অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে এবং উগ্র মৌলবাদের আস্ফালনে দেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনা চরম হুমকির মুখে।
তিনি পরিশেষে বলেন যে, যারা বিএনপি বা তারেক রহমানের রাজনীতি করেন, তারাও আসলে এই জামায়াত বা মৌলবাদীদের সাথে টেক্কা দিতে পারবেন না। কারণ এই মৌলবাদীদের লক্ষ্যই হলো একটি ইনক্লুসিভ বা অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজকে ধ্বংস করে একটি উগ্রবাদী রাষ্ট্র কায়েম করা। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এখন একটি খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে আছে, এবং শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনই হয়তো এই দেশের সাধারণ মানুষের একমাত্র আশার আলো।