ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৭ আগস্ট, ২০২৩, ০৯:১৫ এএম
শুনুন
00:00
আরও পড়ুন
ফলো করুন
বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মন্ত্রিসভার বৈঠকে। আজ সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
মন্ত্রিসভার একটি দায়িত্বশীল সূত্র সমকালকে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বদলে সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে বৈঠকে।
সূত্র জানায়, আপাতত এটি ভেটিংয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে যাচ্ছে। এরপর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আবার মন্ত্রিসভায় ওঠানো হবে।
সূত্র আরও জানায়, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নামে কোনো আইন থাকছে না। আবার এটাও সত্য যে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সব ধারা বাতিল হয়ে যাচ্ছে না।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সমকালকে বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কয়েকটি ধারা বাতিল হচ্ছে।
অর্থাৎ, নতুন আইনে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অনেক কিছুই থাকবে।
বিভিন্ন মহল থেকে বিতর্কিত এই আইন বাতিল বা সংশোধনের দাবি উঠেছিল। মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিকদের অভিযোগ, ডিজিটাল জগতে নিরাপত্তার কথা বলা হলেও আইনটি গণমাধ্যম ও বিরোধীদের কণ্ঠ রোধে ব্যবহার করা হচ্ছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক গত ১ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকারের প্রতি অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রয়োগ স্থগিত করার আহ্বান জানান।
বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মন্ত্রিসভার বৈঠকে। আজ সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
মন্ত্রিসভার একটি দায়িত্বশীল সূত্র সমকালকে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বদলে সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে বৈঠকে।
সূত্র জানায়, আপাতত এটি ভেটিংয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে যাচ্ছে। এরপর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য আবার মন্ত্রিসভায় ওঠানো হবে।
সূত্র আরও জানায়, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নামে কোনো আইন থাকছে না। আবার এটাও সত্য যে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সব ধারা বাতিল হয়ে যাচ্ছে না।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সমকালকে বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কয়েকটি ধারা বাতিল হচ্ছে।
অর্থাৎ, নতুন আইনে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অনেক কিছুই থাকবে।
বিভিন্ন মহল থেকে বিতর্কিত এই আইন বাতিল বা সংশোধনের দাবি উঠেছিল। মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিকদের অভিযোগ, ডিজিটাল জগতে নিরাপত্তার কথা বলা হলেও আইনটি গণমাধ্যম ও বিরোধীদের কণ্ঠ রোধে ব্যবহার করা হচ্ছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক গত ১ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকারের প্রতি অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রয়োগ স্থগিত করার আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট
আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!
বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট
আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!
সংবাদটি শেয়ার করুন
প্রিয়জন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি শেয়ার:
লিংক কপি করুন:
ক্যামেরা দিয়ে স্ক্যান করে খবরটি মোবাইলে খুলুন