|
|
সোমবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব মুখপত্র কর্তৃক সংরক্ষিত

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →

বিদ্যুৎ কেন্দ্রে নজিরবিহীন হামলা: ৪৫০ ড্রোন, ৭০ ক্ষেপণাস্ত্র

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৯ এএম
৬ পঠিত
00:00
00:00
বিদ্যুৎ কেন্দ্রে নজিরবিহীন হামলা: ৪৫০ ড্রোন, ৭০ ক্ষেপণাস্ত্র
ছবি: সংগ্রহীত

ইউক্রেনের পাঁচটি অঞ্চলের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে এএফপি জানিয়েছে, প্রায় চার বছর ধরে চলমান যুদ্ধে দেশটির বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর এত বড় আকারের হামলা আগে কখনও চালায়নি রুশ বাহিনী।

মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি জানান, সোমবার রাশিয়া ইউক্রেনের পাঁচ অঞ্চলের বিদ্যুৎ উৎপাদন অবকাঠামোর দিকে অন্তত ৪৫০টি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন এবং ৭০টি বিভিন্ন পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।

এই হামলার আগের দিন ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন জানাতে কিয়েভ সফর করেন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে। তার সফরের প্রতিক্রিয়াতেই রাশিয়া এ হামলা চালিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইউক্রেনের বেসরকারি বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ডিটেক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সোমবারের হামলাটি চলতি বছরে ইউক্রেনের বিদ্যুৎ খাতে সবচেয়ে বড় আগ্রাসন। ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রতিষ্ঠানটির অন্তত ১০ জন কর্মী আহত হয়েছেন বলেও জানানো হয়।

এদিকে এমন এক সময় এই হামলা চালানো হলো, যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে রাশিয়া, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের বৈঠক চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

টেলিগ্রাম বার্তায় জেলেনস্কি আরও বলেন, ইউক্রেনে বর্তমানে তাপমাত্রা মাইনাস ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এসেছে এবং রাতে অনেক সময় তা মাইনাস ২০ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছায়। এমন চরম শীতের মধ্যে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ ও আতঙ্ক বাড়াতেই রাশিয়া এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →