|
|
সোমবার, ০২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব মুখপত্র কর্তৃক সংরক্ষিত

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →

মুরাদনগরে ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

মুখপত্র

প্রকাশ : ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ০৩:০৩ পিএম
১৩৪ পঠিত
00:00
00:00
মুরাদনগরে ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

বুধবার সকালে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে অব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মহিলাদের ওপর আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি।

পরিদর্শনের সময় তিনি দীর্ঘকাল কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা পাঁচজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া অন্যত্র সংযুক্তিতে থাকা আরও সাতজন চিকিৎসককে অবিলম্বে তাদের মূল কর্মস্থলে ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। মন্ত্রী জানান, ৫১ জন চিকিৎসকের অনুমোদিত পদের বিপরীতে পরিদর্শনের সময় ১২ জন অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামী ১ নভেম্বর নতুন ৪৪৮ জন চিকিৎসক যোগ দিচ্ছেন, যাদের মধ্য থেকে মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক পদায়ন করা হবে, তবে সুনির্দিষ্ট সংখ্যা এখনো নির্ধারিত হয়নি।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ

মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, স্থানীয়দের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে কিডনি রোগীদের ডায়ালাইসিসের জন্য ১০টি মেশিন স্থাপন করা হবে। নারীর স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রসূতি ও নবজাতকদের জন্য ২০টি করে মোট ৪০টি শয্যার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক ফিজিওথেরাপি সুবিধা এবং ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার চালুর ঘোষণা দিয়েছেন মন্ত্রী। আগামী ১৫ থেকে ১৬ দিনের মধ্যে এই প্রকল্পের দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রসূতিদের জন্য ২০টি শয্যা থাকবে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও অ্যাম্বুলেন্স সংকট

  • হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নোংরা পরিবেশ নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
  • কর্মীদের ভাষ্যমতে, বর্জ্য ফেলার জন্য উপযুক্ত জমি না থাকায় এবং পৌরসভার নিষেধাজ্ঞার কারণে এ জটিলতা তৈরি হয়েছে।
  • মন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে দ্রুতই বর্জ্য অপসারণ ও পরিবেশ পরিষ্কারের স্থায়ী সমাধান করা হবে।
  • অ্যাম্বুলেন্সের ঘাটতি সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছরের মধ্যে নতুন অ্যাম্বুলেন্স সররাহ করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং একটি অ্যাম্বুলেন্স পুল গঠনের বিষয়ে সরকার সক্রিয়ভাবে চিন্তাভাবনা করছে।

পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের অবকাঠামোগত জরাজীর্ণ অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রয়োজনীয় সংস্কারের বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেন। সার্বিক ব্যবস্থাপনা আগের চেয়ে কিছুটা উন্নত হলেও সেবার মান বৃদ্ধিতে তিনি কঠোর নজরদারির তাগিদ দিয়েছেন। স্থানীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। হাসপাতালের ভেতরে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশকে স্বাস্থ্যসেবার জন্য উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেন তিনি। পৌরসভাও সেখানে বর্জ্য ফেলার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →