|
|
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব মুখপত্র কর্তৃক সংরক্ষিত

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →

দেশজুড়ে এলএনজি ঘাটতিতে ভয়াবহ গ্যাস সংকটের আশঙ্কা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ০৩:৪৩ পিএম
৭ পঠিত
00:00
00:00
দেশজুড়ে এলএনজি ঘাটতিতে ভয়াবহ গ্যাস সংকটের আশঙ্কা
ছবি: সংগ্রহীত


দেশজুড়ে চলমান গ্যাস সংকটের মধ্যেই এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে হ্রাস পেতে যাচ্ছে।

এতে তিতাস গ্যাসের আওতাধীন এলাকাগুলোতে আবাসিকসহ সব শ্রেণির গ্রাহকের জন্য গ্যাসের চাপ আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সময়ে এলপিজি বাজারে চলমান সংকট ও মূল্যবৃদ্ধি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা থেকে রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা পর্যন্ত এলএনজি টার্মিনালে রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম চলবে। এই সময় এলএনজি থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিকের তুলনায় কম থাকবে।

এর ফলে তিতাসের আওতাধীন আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতের গ্রাহকদের গ্যাসের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট হলেও জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হচ্ছে মাত্র ২৫০ থেকে ২৬০ কোটি ঘনফুট। ফলে প্রতিদিন গড়ে ১২০ কোটি ঘনফুটেরও বেশি ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। এই ঘাটতি পূরণে এলএনজির ওপর নির্ভরতা বাড়লেও রক্ষণাবেক্ষণের সময় সেই সরবরাহও সীমিত হয়ে পড়ছে।

সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন আবাসিক গ্রাহকরা। রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় সকাল ও সন্ধ্যার রান্নার সময়ে অনেক স্থানে চুলায় আগুন জ্বলছে না বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। শীত মৌসুমে এই সংকট দৈনন্দিন জীবনকে আরও কঠিন করে তুলেছে।

পাইপলাইনের গ্যাসের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত এলপিজি বাজারেও মাসের শুরু থেকেই সংকট চলছে। ব্যবসায়ীরা জানান, শীতকালে চাহিদা বৃদ্ধি, পরিবহন সমস্যা ও আমদানিনির্ভরতার কারণে সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। ফলে অনেক এলাকায় এলপিজি সিলিন্ডার পেতে দেরি হচ্ছে এবং নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ উঠছে।

গ্যাস সংকটের প্রভাব শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতেও স্পষ্ট। বেশ কিছু কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, কোথাও শিফট কমানো বা আংশিকভাবে উৎপাদন বন্ধ রাখতে হচ্ছে। গ্যাসের অভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বাড়ায় উৎপাদন ব্যয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হলে এলএনজি থেকে গ্যাস সরবরাহ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করা হবে। তবে চাহিদার তুলনায় সামগ্রিক ঘাটতি থাকায় সব খাতে পুরোপুরি স্বস্তি ফিরতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

সংস্থাটি সাময়িক অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং সংকটকালীন সময়ে গ্যাসের সাশ্রয়ী ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছে।

বিজ্ঞাপন | ব্যানার স্পট

আপনার ব্যবসার প্রসারে আমাদের জনপ্রিয় নিউজ ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিন!

বিজ্ঞাপন দিন →